দিল্লি ও মুম্বাইয়ে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর মিছিলের পর এবার কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের দিকে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মিছিল করেছেন বামপন্থী দলগুলোর নেতাকর্মীরা। দুপুরের মতোই এদের মিছিলও উপদূতাবসের দু শ মিটার আগেই থামিয়ে দেয় পুলিশ। অবশ্য বামপন্থীরা ব্যারিকেড ভাঙার কোনো চেষ্টাও করেননি।
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সংক্ষেপে সিপিআই (এম), সিপিআই, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল বা এসএসপি, ফরোয়ার্ড ব্লক এতে অংশ নেয়।
বামপন্থী নেতাদের বক্তৃতায় মূল সুর ছিল- তাদের ভাষায় ‘বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে’। তারা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গের সঙ্গেই সংবাদমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ওপরে হামলার বিরোধিতাও করেন প্রবলভাবে।
তাদের কথায়, ‘ধর্মান্ধতার পাল্টা ধর্মান্ধতা হতে পারে না’।
সিপিআই (এম)-এর রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম তাদের এই মিছিলের বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে বলেন, “বাংলাদেশে যা হচ্ছে, সেকুলার ডেমোক্রেসিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। যা কিছু মুক্ত চিন্তা প্রতীক, যা কিছু স্বাধীনতার প্রতীক এগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে। আমরা তার প্রতিবাদ করছি।”
‘সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়’ এবং সেটা বাংলাদেশে ও ভারতে দুই জায়গাতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি’।
এর আগে দুপুরে ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
ডেপুটি হাই কমিশনের প্রায় দুশো মিটার দূর পর্যন্ত মোট তিনটি ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ পরই পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে, এক পর্যায়ে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে তারা।
এরপর দ্বিতীয় ব্যারিকেড পর্যন্ত তারা পৌঁছে যাওয়ার পর পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
কলকাতায় ব্যারিকেড ভেঙে উপহাইকমিশনে প্রবেশের চেষ্টা
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ