ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে হাজিরা দিলেন লতিফ সিদ্দিকী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০১:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৩:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন
ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে হাজিরা দিলেন লতিফ সিদ্দিকী ​সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ
উচ্চ আদালতের জামিনে কারামুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। সাবেক এই মন্ত্রী তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীকে সঙ্গে নিয়ে রোববার (১৬ নভেম্বর) আদালতপাড়ায় উপস্থিত হন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। আদালত পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের দিন ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছে বলে প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই জিন্নাত আলী জানান।

লতিফ সিদ্দিকী এদিন তার আইনজীবী রেজাউল করিম হিরণের মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার আবেদন করেন। হিরণ বলেন, "তার বয়স ৮৬ বছর। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেয়ার উপাদান রয়েছে।" আদালত আবেদন মঞ্জুর করে এবং লতিফ সিদ্দিকীকে আর সশরীরে আদালতে আসতে হবে না।

সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে হাজিরা শেষে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী ১১টা ৪০ মিনিটে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

মামলার প্রেক্ষাপটে গত ২৮ অগাস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান বিষয়ক আলোচনা সভায় ‘মব’ হামলার শিকার লতিফ সিদ্দিকী, সাংবাদিক পান্নাসহ ১৬ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরদিন শাহবাগ থানায় তাদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করা হয়। মামলায় অভিযোগ আসে, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র।’

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৫ অগাস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে এবং ২৮ অগাস্ট ঢাকায় আলোচনা সভার আয়োজন করে। হট্টগোলকারী অংশগ্রহণকারীরা অনুষ্ঠানের দরজা বন্ধ করে কয়েকজনকে অবরুদ্ধ করেন। পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে।

মামলায় আটকদের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকী ছাড়া অন্য ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সাবেক সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম ও আবু আলম শহীদ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

লতিফ সিদ্দিকীর জামিন আবেদন প্রথমে ম্যাজিস্ট্রেট ও জজ আদালতে নাকচ হলে, হাই কোর্টে আবেদন করা হয়। বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি সগীর হোসেনের বেঞ্চ ৬ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলেও ১০ নভেম্বর আপিল বেঞ্চ জামিন বহাল রাখে। জামিন নথিপত্র পৌঁছানোর পর ১২ নভেম্বর তিনি কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ