বিদ্যুতের বকেয়া চেয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে আদানির 'তাগাদা'
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৯-১০-২০২৫ ০৪:৩৯:১৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৯-১০-২০২৫ ০৪:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুৎ সরবরাহের বকেয়া টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারতের আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। বকেয়া টাকা পরিশোধে দেরি হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঋণদাতা সংস্থা ও অংশীদারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ার কথা চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে আদানির চিঠি বিদ্যুৎ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের কাছে আদানির বকেয়ার পরিমাণ ৪৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে গৌতম আদানি উল্লেখ করেন, ‘আদানি পাওয়ারের গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপিডিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। আমরা এ পর্যন্ত প্রাপ্ত অর্থ পরিশোধের বিষয়টি স্বীকার ও প্রশংসা করি। বিশেষ করে চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিশোধিত অর্থ, যা আমাদের বকেয়া স্থিতি আংশিকভাবে কমাতে সাহায্য করেছে।
একইভাবে জ্বালানি ও খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত আমাদের অন্য সংস্থানগুলো পরিচালনায় কষ্ট লাঘব করতেও সাহায্য করেছে। তবে এখনো প্রায় ৪৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বকেয়া রয়েছে। এই বকেয়া পরিশোধে বিলম্ব আমাদের ঋণদাতা ও অংশীদারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।’
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, আদানির বকেয়া পাওনা পরিশোধের বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বকেয়া টাকা কিভাবে পরিশোধ করা হবে, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। ওই কর্মকর্তা জানান, গত জুলাইয়ে আদানির সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়। এরপর নতুন করে এই পরিমাণ টাকা বকেয়া পড়েছে।
জানা গেছে, গত জুন মাসে একই বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আদানি পাওয়ারের বকেয়া ৪৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার একসঙ্গে পরিশোধ করা হয়। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আদানির পাওয়া সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থপ্রাপ্তি সেটি। এর আগে ভারতীয় এই কম্পানি বিদ্যুতের বিল হিসেবে প্রতি মাসে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৯০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার করে পেত।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘এখন যে বকেয়া জমা হয়েছে, তা লেটেস্ট। এর আগে এ বছরেই একসঙ্গে সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছিল। এখন বকেয়া পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে বিপিডিবি কাজ করছে। এটি নীতিগত কোনো বিষয় নয়। এন্টারপ্রাইজ লেভেলের ইস্যু। বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত নই।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স