ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২১-০৯-২০২৫ ০১:১৮:৪৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২১-০৯-২০২৫ ০১:১৮:৪৫ অপরাহ্ন
​সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ ​ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সরকারি-বেসকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। 

এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে আলী নাঈমকে চিহ্নিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। আর অন্যতম সহযোগী হিসেবে বেলায়েত হোসেন ও রহিমা আক্তারের নাম এসেছে। 

জানা যায়, আলী নাঈম ওরফে মো: নায়েব আলী (পিতা মো: নফুর উদ্দিন থানা মিঠাপুকুর,জেলা- রংপুর)  নিজেকে হিউম্যান রাইটস লিগ্যাল এইড সেন্টার ফাউন্ডেশনের আইন উপদেষ্টা এবং পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে এতদিন চাঁদাবাজি করেছেন। এখন তিনি খোলস পরিবর্তন করে সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই চক্রটি প্রথমে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনআইডি নাম্বার সংগ্রহ করে। এনআইডি নাম্বার ব্যবহার করে ব্যক্তিগত টিআইএনের একনলেজমেন্ট তুলে নেয়। এরপর একজনকে টার্গেট করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ও প্রতিষ্ঠানে বে-নামে ভুয়া অভিযোগপত্র দাখিল করে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম্বার, এনআইডি এবং টিন নাম্বার ব্যবহার করে সেই অভিযোগপত্রে যাদের নাম থাকে তাদের হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগপত্র ও নিবন্ধনহীন ভুয়া পত্রিকা ও অনলাইন পেপারের ছবি তুলে অথবা লিঙ্ক  পাঠিয়ে তাদের ব্লাকমেইলের চেষ্টা করে। ভুক্তভোগীরা সাড়া না দিলে প্রতারক চক্রের প্রধান আলি নাঈম ফোন করে তার নামে নিউজ হয়েছে বলে বিষয়টি মিটমাট করার কথা বলেন। অনেক সময় ভুক্তভোগীরা মান-সম্মানের ভয়ে টাকা পয়সা দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
  
বিআরটিএ ও সড়ক জনপদের পিয়ন থেকে শুরু  করে পরিচালক পর্যন্ত অনেকেই এই চক্রের প্রতারণার শিকার। বিআরটিএর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিজেকে ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতেন আর এখন আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের বিভিন্ন জেলা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামে ভুয়া অভিযোগ বানিয়ে দুদকের চিঠির ভয় দেখিয়ে আমাদের সাথে রীতিমত প্রতারণা করে যাচ্ছে। আমরা এই প্রতারকের কাছে অর্থাৎ নাঈম চক্রের কাছে নিরুপায়। 

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাওয়ার জন্য আলী নাঈমের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতারণার অভিযোগে নায়েব আলী নাঈমের বিরুদ্ধে ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় মামলা রয়েছে। ২০১৭ সালে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন তিনি।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ