সেই ফাইয়াজের বড় ভাই এখন জাকসুর জিএস
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৪-০৯-২০২৫ ০৩:১৮:২৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৪-০৯-২০২৫ ০৩:৫৮:২২ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
লক্ষ্মীপুরের রামগতির সন্তান মাজহারুল ইসলাম ফাহিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে (জাকসু) জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি শিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। জুলাই আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
তার ছোট ভাই হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজকে (১৭) গত বছর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নেয়। ফাইয়াজকে হাতকড়ায় রশি বেঁধে আদালতে নেওয়ার দৃশ্য দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল এবং জাতিসংঘ পর্যন্ত এ ঘটনায় বিবৃতি দেয়। এ সময় তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা কিশোর’ হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পায়।
মাজহারুলের বাবা আমিরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, ছোটবেলা থেকেই ছেলে মেধাবী ও ভদ্র স্বভাবের। এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফলের পর সে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিল। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে তার নেতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
ভাইয়ের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে ফাইয়াজ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিল, জুলাই বিপ্লবে ভাইয়ের ক্যাম্পাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাকে টর্চার করে ভাইয়ের অবস্থান জানতে চাওয়া হলেও কৌশল অবলম্বনের কারণে তারা মাজহারুলকে ধরতে পারেনি।
নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি মনে করে আমরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছি, তাদের ভোটের আমানত রক্ষা করতে পেরেছি—তাহলেই বলব আমরা বিজয়ী।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট এবার জাকসুর ২৫টির মধ্যে ২১টি পদে জয়লাভ করেছে। ভিপি হয়েছেন স্বতন্ত্র প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু। এজিএস (ছাত্র) পদে ফেরদৌস আল হাসান ও এজিএস (ছাত্রী) পদে আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা জয়ী হয়েছেন। দুজনই শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’র প্রার্থী।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স