ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​মেটার এআই টিম থেকে নতুন কর্মীদের পদত্যাগ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০১-০৯-২০২৫ ০৭:০২:১৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০১-০৯-২০২৫ ০৮:৩১:৪৩ অপরাহ্ন
​মেটার এআই টিম থেকে নতুন কর্মীদের পদত্যাগ ​ছবি: সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নতুন পরিকল্পনার শুরুতেই বাধার সম্মুখীন হয়েছে মেটা। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ হঠাৎ করে চাকরি ছেড়ে যাচ্ছেন বা চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। এতে প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের বহু বিলিয়ন ডলারের ‘পারসোনাল সুপারইন্টেলিজেন্স’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা চাপে পড়েছে। খবর ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা শেংজিয়া ঝাও সম্প্রতি মেটায় যোগদানের কয়েক দিনের মধ্যেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এমনকি তিনি ওপেনএআইয়ে ফেরার জন্য কাগজপত্রেও সই করেন। পরে অবশ্য তাকে মেটার নতুন চিফ এআই সায়েন্টিস্ট পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

সম্প্রতি মেটা এআই গবেষণায় বেশ কয়েকজন এআই বিশেষজ্ঞকে নিয়োগ দিয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন স্কেল এআইয়ের সাবেক প্রধান আলেকজান্ডার ওয়াং ও গিটহাবের সাবেক প্রধান ন্যাট ফ্রিডম্যান। তবে মেটার করপোরেট সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের খাপ খাওয়াতে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন নতুনরা। অন্যদিকে দীর্ঘদিনের কয়েকজন অভিজ্ঞ কর্মীও প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাচ্ছেন।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মেশিন-লার্নিং বিজ্ঞানী ইথান নাইট মাত্র কয়েক সপ্তাহ কাজ করার পর কোম্পানি ছাড়েন। ওপেনএআই থেকে আসা আরেকজন অভি ভার্মা প্রথম দিনই যোগ দেননি। এপ্রিলে যোগ দেয়া গবেষক ঋষভ আগরওয়ালও সম্প্রতি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া চায়া নায়ক ও লোরেডানা ক্রিসানের মতো দীর্ঘদিনের কর্মচারীও এআই প্রকল্প থেকে পদত্যাগ করেছেন।

মেটা সম্প্রতি তার এআই বিভাগ পুনর্গঠন করে ‘মেটা সুপারইনটেলিজেন্স ল্যাব (এমএসএল)’ নামে নামকরণ করেছে। মাত্র ছয় মাসে এ বিভাগ চারবার পুনর্গঠিত হয়েছে।

কিছু সূত্র বলছে, জাকারবার্গ সবকিছুতে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করছেন। অন্যদিকে ওয়াংয়ের মতো নতুনরা বড় কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে দল পরিচালনায় অভিজ্ঞ নয়। ফলে এ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে।

তবে মেটার দাবি, এত বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মী আসা-যাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। তারা বলছে, ঝাও শুরু থেকেই এআই কার্যক্রমের নেতৃত্বে ছিলেন, পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে চিফ সায়েন্টিস্ট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। গবেষকদের জন্য মেটা পর্যাপ্ত কম্পিউটিং সুবিধা দিচ্ছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

তবে অভ্যন্তরীণ সূত্র জানাচ্ছে, প্রতিশ্রুত সম্পদ ও সুযোগ সময়মতো না মেলায় হতাশা বাড়ছে। সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এত পরিবর্তনের মধ্যে মেটা আদৌ ওপেনএআই ও গুগলের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তাল মিলিয়ে চলতে পারবে কিনা।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ