দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ বলবৎ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।
চলমান আন্দোলন ও দাবির বিষয়ে সবিস্তারে তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সংবাদ সম্মেলন করেন প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে একত্র হওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেখানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন প্ল্যাটফর্মের সভাপতি মো. ওয়ালি উল্লাহ।
রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সে (আইইবি) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ডিপ্লোমা ও বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্য তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে পদগুলো শুধু ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়, সেখানে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের কোনো সুযোগই দেওয়া হয় না। এটি বন্ধ করতে হবে।
মো. ওয়ালি উল্লাহ বলেন, ‘আন্দোলনটা আমাদের তিন দফার ওপর চলছিল এবং গতকালের যে ম্যাসিভ ইনসিডেন্ট হয়েছে, এগুলো সুরাহা হইতে হবে। আমাদের যদিও কমিটমেন্ট দেওয়া হয়েছিল গতকালকে, সেটার আজকেও কিন্তু আমরা কোনো বাস্তবায়ন পাইনি। তো আমরা আমাদের কর্মসূচি যেটা রাখছি, প্রথমত আমাদের নেক্সট অ্যানাউন্সমেন্ট হওয়ার আগপর্যন্ত সারা দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে কমপ্লিট শাটডাউন বলবৎ থাকবে।’
এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে বিভাগীয় সম্মেলন এবং পরবর্তী সপ্তাহে জাতীয় সম্মেলন করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো ৯ম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে কেবল পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ ও ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার করা; ১০ম গ্রেডে শুধু ডিপ্লোমাধারী ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারেন, সেখানে যেন উচ্চ ডিগ্রিধারী ব্যক্তিরাও আবেদন করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা এবং শুধু বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং যাঁরা সম্পন্ন করবেন, তাঁরাই যেন প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) লিখতে পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলছে