মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ে, সালিশে বাবাকে হত্যা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৩-০৮-২০২৫ ০৮:০০:৫৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৩-০৮-২০২৫ ০৮:০০:৫৭ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ে করার ঘটনায় সালিশ বৈঠকে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দ্বীপ কলোনি এলাকার মো. ইব্রাহিমের দুই ছেলে নুর আলম ও মো. মুসলিমকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। সন্দ্বীপ কলোনির আমতলী এলাকায় সালিশ বৈঠকটি হয়েছিল।
জানা যায়, গত ২৭ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভুক্তভোগী কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নিয়ে যায় পাহাড়তলী এলাকার রিফাত ও তার সহযোগীরা। সেখানে রিফাত জোরপূর্বক তাকে বিয়ের কাবিনে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।
এদিকে খোঁজাখুঁজি করে মেয়েকে না পেয়ে ঘটনার দিন রাতে হাটহাজারী মডেল থানায় জিডি করেন বাবা ফখরুল ইসলাম। পরে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এ সমস্যার সমাধানে শুক্রবার রাতে পাহাড়তলীর সন্দ্বীপ কলোনির আমতলী এলাকায় সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ চলাকালে এক পর্যায়ে ছেলে পক্ষ ও মেয়ে পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় মেয়ের বাবা ফখরুল ইসলাম প্রতিপক্ষের আঘাতে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, এ ঘটনায় শনিবার (২ আগস্ট) রাতে হাটহাজারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছেলে আরমান হোসেন বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাউসার হোসেন বলেন, সালিশে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স