ঢাকা , রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ , ১২ শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​৭৫ লাখ টাকা কাবিন দাবি, রাজি না হওয়ায় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৭-০৭-২০২৫ ০৩:৪২:৫৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৭-০৭-২০২৫ ০৩:৪২:৫৪ অপরাহ্ন
​৭৫ লাখ টাকা কাবিন দাবি, রাজি না হওয়ায় মামলা সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
বিয়ের কাবিনে ৭৫ লাখ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তামিম নামে এক যুবককে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার পরিবার হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোর শহরের পূর্ববারান্দী মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা লোকমান হোসেন।

রবিবার (২৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় যশোর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার ছেলে তামিমের সঙ্গে একই এলাকার এক মেয়ের পারিবারিকভাবে বিয়ের আলোচনা চলছিল। প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও মেয়ের বাবার ৭৫ লাখ টাকার কাবিনের দাবি এবং মেয়ের চরিত্র নিয়ে বিতর্কিত তথ্য পাওয়ায় বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে তারা সরে আসেন।

লোকমান হোসেন অভিযোগ করেন, এরপর থেকেই মেয়ের বাবা, মেয়ে ও তার ভাইসহ কয়েকজন প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তামিমের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এখন পর্যন্ত তার ছেলের বিরুদ্ধে চারটি ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেগুলো তদন্ত ছাড়াই রেকর্ড করেছে পুলিশ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, মেয়ের বাবার এক আত্মীয় পুলিশ কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে চাপ এবং শহরের রেলরোড এলাকার এক রেস্টুরেন্টে ডেকে হুমকি দিয়েছেন। তার ছেলে মানহানির অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। কিন্তু মেয়ের বাবা আদালতে হাজির না হয়ে নানা কৌশলে সময়ক্ষেপণ করছেন এবং নতুন করে তামিমকে ফাঁসাতে তাদের বাড়িতে ডেকে নাটক সাজাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লোকমান হোসেন প্রশাসনের প্রতি মিথ্যা মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পরিবারকে হয়রানি ও অপপ্রচার থেকে রক্ষার আহ্বান জানান। তবে কাবিনের টাকার অঙ্কের কথা বেমালুম অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মেয়ের বাবা। তিনি বলেন, ‘ঘটকের মাধ্যমে আমার মেয়ের সঙ্গে তামিমের বিয়ের কথা পাকা হয়। কিন্তু পরে আমরা জানতে পারি, ছেলের স্বভাব-চরিত্র ভালো না। সে কারণে আমরা পরে রাজি হইনি।’তিনি আরও বলেন, ‘লোকমান হোসেন মিথ্যাচার করেছেন। আমি ১০ লাখ টাকা কাবিনে মেয়েকে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছি। এখন এই বিয়েটা ভাঙতে তারা নানা ধরনের ছবি, কথোপকথনের স্ক্রিনশট ইত্যাদি পাঠাচ্ছেন। এমনকি মেয়ের বিয়ে এখনও টিকে আছে কি না খোঁজ নিচ্ছেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আমি চিনি না। তাকে দিয়ে মিথ্যা মামলার কাজ করিয়ে নিতে পারেননি বলে উল্টো আমাকে দুষছেন।’

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স


এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ